লালমনিরহাট জেলার ক্রীড়াঙ্গন

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় লালমনিরহাট জেলার ক্রীড়াঙ্গন।

লালমনিরহাট জেলার ক্রীড়াঙ্গন:-

 

লালমনিরহাট জেলার ক্রীড়াঙ্গন
কাকিনা জমিদার বাড়ি – লালমনিরহাট জেলা

 

জেলায় প্রচলিত লোক খেলা গুলোর মধ্যে রয়েছে- গোল্লা ছুট, দৌড়াদৌড়ি, হা-ডু-ডু, বুড়ি ছি, বৌ ছি, কানা মাছি, কিতকিত, ছোপাছুপি, ইকরি বিকরি, নাগরদোলা, ওপেন্টি বাইস্কোপ, ইচিং বিচিং, সাত খোলা, মার্বেল, ঘুড়ি উড়ানো, লাটিম ঘুড়ানো, ব্যাঙ ঝাঁপ, দড়ি খেলা, গুটি খেলা, পাতা ছেড়া খেলা, চড়ুই ভাতি প্রভৃতি। এছাড়াও রয়েছে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা।

জলত্রুীড়ার মধ্যে রয়েছে- সাঁতার, ছৈল, ডুবাডুবি, উল্টা হাটা, কাঠি খোঁজা প্রভৃতি ছাড়াও রয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। প্রচলিত আধুনিক খেলার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ফুটবল, ত্রিুকেট, ব্যাড মিন্টন, দাবা, লুডু প্রভৃতি।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১লা ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন সমাজ কল্যাণ ও মহিলা বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী) ডঃ শাফিয়া খাতুন কর্তৃক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে লালমনিরহাট মহকুমা ‘জেলা’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরে ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ মার্চ লালমনিরহাট সদর থানা ‘উপজেলা’ হিসেবে ঘোষিত হয়।

ফলে লালমনিরহাট জেলার অধীনে উপজেলার সংখ্যা দাড়ায় – ৫টি; পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী এবং লালমনিরহাট সদর। এসময় লালমনিরহাট সদর থানার ছিনাই, রাজারহাট এবং ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন পাশ্ববর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সাথে যুক্ত হলে নবগঠিত লালমনিরহাট জেলায় ইউনিয়নের সংখ্যা দাড়ায় ৪১টি এবং পৌরসভার সংখ্যা ১টি। তাছাড়া লালমনিরহাট সদর উপজেলার আয়তন দাড়ায় ১০৪ বর্গমাইল।

 

লালমনিরহাট জেলার ক্রীড়াঙ্গন
তিস্তা রেল সেতু – লালমনিরহাট জেলা

 

Leave a Comment